রাস্তার পাশে গাড়ি রেখে এক প্যাকেট সিগারেট নিয়ে আবার চলতে শুরু করেছি। এর ভিতর শহর ছেড়ে বেড়িয়ে এসেছি! এভাবে আর আধ ঘন্টা চললে গন্তবে পৌছে যাব।
আধ ঘন্টার আগে পৌছে গেলাম ফাকা বাড়িটায়। স্টিয়ারিং এর সিটে বসেই হাসি ফুটে উঠল মুখে! কালকের পেপারে হেডলাইনে রচনা করবে প্রহর। হঠাৎ কল্পনায় দেখতে পাচ্ছি জলন্ত সিগারেটের পোড়া দাগ ফর্সা শরীরে কেমন দেখাবে?? মাইক্রোর ব্যাকডালা খুলে ফেললাম, এখনো জ্ঞান ফিরেনি মোহনার! হাতের কাছে বিয়ের শারটিা পরে অছে। কোলে করে বাড়ির ভিতর নিয়ে গেলাম, এখানে বিদুৎ নেই । তাই আগে থেকেই হারিকেনের ব্যাবস্থা করে রেখেছিলাম রণকে দিয়ে। ও জাহাজের ক্যাপ্টেন বেশিরভাগ সময় বাড়িতে থাকে না। কয়েকদিন থাকার কথা বলে বাড়িটা নিয়েছি। এতক্ষনে মােহনার বড়ির লোকেরা হ্যান হয়ে খুজছে ওকে। বিয়ের কনে বলে কথা! শেষ বাড়ের মতো দেখা করবো বলে নিয়ে এসেসিলাম । বাহিরে আসার সময় ক্লরোফোম মিশানো রুমালের সাহায্যে ঘুমিয়ে দিয়েছি কয়েক ঘন্টার জন্য। বিছানায় শুয়িয়ে দিয়ে পাশে চেয়ার পেতে বসে পড়লাম। চোখের পাতা কেমন ভারি হয়ে উঠছে.........
বখে যাওয়া সন্তান আমি কলেজের যত রকম প্রবলেম হয় তার বেশির ভাগের মূল কারন আমি। মারামারি, মেয়েদের জালানো, সিগারট ত্যাদি। সবটাই আমার অধিপত্য বিস্তার করেছিলো।এমন সময় পরিচয় মোহনা নামের এই মেয়েটার সাথে। আমার প্রথম ভালো-লাগা। কিন্তু সেটাকে ভালোলাগার মধ্যেই সীমাবদ্ধ করে রেখেছি। তখনও বুঝিনি যে মেয়েটাও আমাকে পছন্দ করত। কখনো সাহস করে কথাও বলতে যাইনি ওর সাথে। হঠাৎ একদিন সে নিজেই এসে বলল ঃ
-এই যে শুনেন....- জি বলেন.....
- আপনার নাম তো প্রহর তাইনা??
-হ্যা! কোনো প্রবলেম??
-না! আমি আপনাকে ভালবাসি!..............
যদি ভালো লাগে তাহলে কমেন্ট করে জনান এবং পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন
"ধন্যবাদ সবাইকে"
(গল্পটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে পরেন)
0 Comments