সেই ট্রফিটা এবার শুধুই তামিমের! - খেলার খবর

অসংখ্যা পুরুষ্কারের ভিড়েও তামিমের ট্রফিকেসে একটা শূন্যতা ছিলই! দেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেললেও সেটির কোনল স্বারক ছিলো না সেখানে! জিম্বাবুয়েকে উপলক্ষ করেই আরো একবার এই অর্জনের ট্রফি এলো তার কাছে।

চার্লস কভেন্ট্রিকে কি একটু মিস করলেন তামিম ইকবা??  কিংবা সাকিব-আল হাসানকে? সিলেট  আন্তর্জাতিক কিক্রেট স্টেডিয়ামকে কি তাঁর একবারের জন্যও মনে হয়নি? আরে এটা তো কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবের মতোই!"

tamim is the best


১৫৪ এর পর ১৫৮। বুলাওয়ের পর সিলেট! নিজের গড়া ইনিংস নতুন করে গরলেন তামিম। লিখলেন নিজেকে ফিরে পাওয়ার আনন্দময় সব শব্দে! বড় রান না পাওয়ার সমালোচনা আর মন্তর ব্যাটিংয়ের অপবাদ ঘোচানো ইনিংস দিয়ে ফিরিয়ে আনলেন সাড়ে ১০ বছর আগের বুলাওয়েকে!

২০০৯ সালের আগষ্ট, বাংলাদেশ দল জিম্বাবুয়ে গেল ৫ ওয়ানডে সিরিজ খেলতে। বুলাওয়ের সেই সিরিজের চতুর্থ ম্যাচটা ইতিহাসে বাধাই হয়ে থাকবে চিরকাল।

কুইন্স স্পোর্টস মাঠে সেদিন সাঈদ আনোয়ারের ওয়ানডে সর্বোচ্চ ১৯৪ রানের রেকর্ড ছুয়েছিলো কভেট্রী। রেকর্ড গড়ে আর লাভ কি? সেটি তো ঢাকা পড়ে গেছে তামিম ইকবালের ব্যাটের আরালে। দল হারলেও কভেন্ট্রির জন্য স্বাত্বনা হয়েছিল ম্যান অফ-দ্যা ম্যাচের ট্রফি,  ম্যাচসেরা হয়েছিলেন তামিম কভেন্ট্রি দুজনই। কিন্তু তামিম ট্রফিটা দিয়ে দিয়েছিলেন কভেন্ট্রিকে।  কারণ তার ইনিংসটি ছিলো বিশ্ব রেকর্ডেে ভাগ বসানো। তামিম বলেছিলেন ; ট্রফিটা ওর জন্যই বেশী মূল্যবান  ভাগ্যে থাকলে এরকম ট্রফি আরো আসবে। তাই জিম্বাবুয়েকে উপলক্ষ করেই আরও একবার একই অর্জনের ট্রফি এলো তার কাছে! এবার আর তামিমের অর্জনে ভাগ বসানোর কেউ নেই!

দল হারলেও কভেন্ট্রির জন্য সান্ত্বনা হয়েছিলো ম্যান অফ দ্যা ম্যাচের ট্রফি। ম্যাচসেরা হয়েছিলেন তামিম কেভেন্ট্রি দুজনই! কিন্তু ট্রফিটা তামিম দিয়ে দিয়েছিলেন কভেন্ট্রি কে। কারন তার ইনিংসটি ছিল বিশ্ব রেকর্ডেে ভাগ বসানো। তামিম বলেছিলেন ; ট্রফিটা ওর জন্যই বেশী মূল্যবান। ভাগ্য থাকলে এরকম ট্রফি আরো আসবে। 

বাংলাদেশের সামনে ৩১৮ রানের পাহার গড়েছিল জিম্বাবুয়ে। এর আগে ২৭৪ রান পর্যন্তই তারা করে জেতা বাংলাদেশ সেদিন তামিমের ব্যাটে ৩১৮ রানের পাহারও টপকে গেল। তার অতীমানবীয় ১৫৪ রানে ১৩ বল হাতে রেখেই এসে যায় ৪ উইকেটের জয়। তামিমের সেই ১৫৪ কালকের আগ পর্যন্ত ছিলো ওয়ানতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যাক্তিগত ইনিংস।

কভেন্ট্রি এখন দলে নেই। তবে তামিম কাল নতুন ইতিহাস গড়লেন সেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই! এবার ১৫৮, ওয়ানডেতে বাললাদেশের হয়ে ব্যাক্তিগত সর্বোচ্চ ইনিংসের নতুন রেকর্ড। ২০ চার আর ৩ ছক্কার ইনিংসে তামিম যেন দিতে চেয়েছেন দুঃসময় কাটিয়ে ওঠার দুরন্ত ঘোষনা।


অনেকটা এ রকমই দুঃসময় তিনি পার করেছিলেন ২০০৯ সালের জিম্বাবুয়ে সফরের আগেও। টানা ১৩ ওয়ানডেতে কোনো ফিফটি ছিলো না। জিম্বাবুয়ে গিয়ে বন্ধ্যত্ব কাটে প্রথম ২ ওয়ানডের ফিফটিতে। কিন্তু মোহাম্মদ আশরাফুল আর সাকিবের সেঞ্চুরির ওই দুই ম্যাচে ৬৩ আর ৭৯ করে মন ভরেনি তামিমের! কভেন্ট্রীর সঙ্গে জিম্বাবুয়েকেও হতাশায় ডোবানো সেঞ্চুরিটি হয়তো ছিল সেই ক্ষুধা থেকেই!

দল হারলেও কভেন্ট্রির জন্য সান্ত্বনা হয়েছিল ম্যান অব দ্য ম্যাচের ট্রফি। ম্যাচসেরা হয়েছিলেন তামিম, কভেন্ট্রি দুজনই। কিন্তু ট্রফিটা তামিম দিয়ে দিয়েছিলেন কভেন্ট্রিকে। কারণ তাঁর ইনিংসটি ছিল বিশ্ব রেকর্ডে ভাগ বসানো। তামিম বলেছিলেন, ‘ট্রফিটা ওর জন্যই বেশি মূল্যবান। ভাগ্যে থাকলে এ রকম ট্রফি আরও আসবে।’

জিম্বাবুয়েকে উপলক্ষ কিরেই আরো একবার এই অর্জনের ট্রফি এলো তার কাছে। এবার আর তামিমের অর্জনে ভা গ বসানোর কেউ নেই!    

Post a Comment

0 Comments